হাঁস পালনে বাংলাদেশের সম্ভাবনা ও প্রেক্ষাপট
হাঁস পালনে বাংলাদেশের সম্ভাবনা ও প্রেক্ষাপট

হাঁস পালনে বাংলাদেশের সম্ভাবনা ও প্রেক্ষাপট

Rate this post

হাঁস পালনে বাংলাদেশের সম্ভাবনা ও প্রেক্ষাপট

বাংলাদেশে চাষযোগ্য একটি অতি পরিচিত পাখি হলো হাঁস। বর্তমানে বাংলাদেশি হাসপাতালে প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে । বিপ্লবে বড় ভূমিকা রেখেছে হাঁস পালন। হাঁস পালনে বাংলাদেশের সম্ভাবনা ও প্রেক্ষাপট নিচে তুলে ধরা হলো ।

হাঁস পালনে বাংলাদেশের সম্ভাবনা ও প্রেক্ষাপট

মুরগির তুলনায় হাঁসের রোগবালাই কম হয়। হাঁস সকালে ডিম দিয়ে থাকে। এতে করে যারা ব্যবসা করে তাদের কাজের সুবিধা হয়। হোস্টিং যদি খোলা অবস্থায় পালন করা হয় তবে হাঁসের জন্য তেমন খাদ্যের প্রয়োজন হয় না। হাঁস পালন করার মাধ্যমে মানুষের অভাব পূরণ করা সম্ভব। এছাড়া হাঁস পালনের খরচ অনেক কম।
বাংলাদেশের আবহাওয়া আজ পালনের জন্য উপযোগী। দেশি এমএমএস ডিম ও মাংসের জন্য খুবই বিখ্যাত।
একটি হাঁস বছরে ৭০ থেকে ৮০ টি ডিম দিয়ে থাকে। কিন্তু উন্নত ব্যবস্থাপনায় এগুলো বছরে প্রায় ২০০ থেকে ২৫০ টি ডিম দেয়

খাকি ক্যাম্বেল হল ডিম উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত একটি হাসের জাত। প্রফেসর মোঃ রুহুল আমিন বলেছেন বাংলাদেশে এখন দেশের বাইরে বিভিন্ন হাইব্রিড জাতের হাঁস দেখা যায়।
বাংলাদেশের হাঁস পালনের অনেক উপকারিতা রয়েছে। যে কেউ খুব সহজেই হাঁস পালন করে স্বাবলম্বী হতে পারে। হাঁস পালন মুরগি পালন অপেক্ষা অনেক সহজ ও উপকারী।হাঁস পালনে বেশি জায়গার প্রয়োজন হয় না কারণ অনেকগুলো হাঁস একগুচ্ছ হয়ে অল্প একটু জায়গাতে বসবাস করতে পারে কারণ তাদের মধ্যে একতার সম্পর্ক রয়েছে।

হাঁস পালনে বাংলাদেশের সম্ভাবনা ও প্রেক্ষাপট

হাঁস পালনে হাসির বিষ্ঠা সংরক্ষণ করা যায় এবং হাসির বিষয় হলো ভালো মানের একটি জৈব সার।
বেশিরভাগ সময় হাঁস বাইরের ঘোরে এবং তাদের নিজের খাদ্য ঘাটতি পূরণ করে।হাঁস ছোট ছোট মাছ খায় যার কারণে এর বৃদ্ধি খুব তাড়াতাড়ি হয়। হাঁস পালনের খরচের চেয়ে অধিক আয় হয়।
হাঁস পালনের পরিশ্রম খুব কম।একটি মুরগী অপেক্ষা অনেক বেশি ডিম দিয়ে থাকে এবং একটি হাঁসের ডিম মুরগির ডিমের যাইতে ১০ থেকে ১৫ গ্রাম বড় হয়ে থাকে। আমি খুব তাড়াতাড়ি বৃদ্ধি পায় এবং এবার নিজের খাদ্য নিজেরাই বাইরে ঘুরে ঘুরে খেয়ে থাকে।

প্রোটিন ও ক্যালরির আধার হলো হাঁসের মাংস ও ডিম।হাঁসের ডিমের প্রচুর পরিমাণে ক্যালরি থাকে। মুরগির ডিমের চেয়ে অনেক বেশি পুষ্টিকর হলো হাঁসের ডিম।
বাংলাদেশের গ্রামীণ লোকজন হাঁস পালনে অভ্যস্ত। তারা সঠিক ব্যবস্থাপনা করে বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে হাঁস পালন করলে বাংলাদেশের জন্য তার একটি অপার সম্ভাবনা বয়ে আনবে।

এমনকি আপনারা জানলে অবাক হবেন যে একজন মানুষ শুধুমাত্র হাঁস পালন করে নিজের পরিবারের সকল ভরণ পোষণ করতে পারে।
মৌলিক চাহিদাগুলো সহজেই পূরণ করা সম্ভব শুধুমাত্র হাঁস পালন করে।
হাসির বিষ্ঠা জৈব সার হিসেবে ব্যবহার করা যায়। খেতের জমিতে প্রয়োগ করার জন্য অতিরিক্ত সার কিনতে হয় না। ফলে হাঁস পালন শুধুমাত্র মাংসের চাহিদা পূরণ করছে না বরং ডিম এবং সার এর একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস হিসেবে কাজ করছে।

হাঁস পালনে বাংলাদেশের সম্ভাবনা ও প্রেক্ষাপট

তাই হাঁস পালনে আমাদের দেশ এগিয়ে যাচ্ছে এবং অপার সম্ভাবনার সৃষ্টি করছে। হাঁস পালন করে বহু মানুষ বেকার জীবন থেকে স্বাবলম্বী হয়েছে। এমনকি অনেক হাস বিদেশে রপ্তানী করে বৈদেশিক মুদ্রা আয় করা সম্ভব হচ্ছে। তাই আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে হাঁস পালন অত্যন্ত উপযোগী এবং সহজ।আমাদের দেশের মানুষের উচিত হাঁস পালনে পরস্পরকে উদ্বুদ্ধ করার এবং হাঁস পালন কর্মসূচিতে এগিয়ে আসা। তবে একটি সম্ভাবনাময় দেশ হিসেবে আমরা এগিয়ে যেতে পারবো এবং আর্থিকভাবে সফলতা অর্জন করতে সক্ষম হব।

আরো জানতে

About bdbarguna24

Leave a Reply Cancel reply