চাল-ডালের দাম বাড়লো বছরের শুরুতেই
চাল-ডালের দাম বাড়লো বছরের শুরুতেই

চাল-ডালের দাম বাড়লো বছরের শুরুতে

Rate this post

চাল-ডালের দাম বাড়লো বছরের শুরুতেই

নতুন বছরের শুরুতে চাল-ডাল কিনতে বাড়তি টাকা দিতে হচ্ছে নগরবাসীকে চাল-ডালের দাম বাড়লো বছরের শুরুতেই । রাজধানীর খুচরা বাজারে গত সপ্তাহের তুলনায় কেজি প্রতি চাল দুই থেকে তিন টাকা এবং মসুর ডাল ৫ থেকে ১০ টাকা বেশি। দোকানিরা বলছেন, চালের পাইকারি দাম কেজিতে এক থেকে দেড় টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হচ্ছে। আর মসুর ডালের দাম কেজিতে তিন থেকে পাঁচ টাকা বেড়েছে।

মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেট কাঁচাবাজারে খুচরা চাল বিক্রি করেন বরিশাল রাইস এজেন্সির মালিক ইউসুফ আলী হাওলাদার। তিনি প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, শনিবার ৫১ টাকা কেজি দরে বিআর-২৮ চাল কিনেছেন। নাজিরশাইলের দাম কমেছে ৭৪ টাকা ৫০ পয়সা। গত সপ্তাহে তিনি বিআর-২৮ চাল প্রতি কেজি ৪৯ টাকা ৫০ টাকা এবং নাজিরশাইল চাল ৮৩ টাকা কেজি দরে কিনেছেন। আজ তার দোকানে মোটা চাল ৪৮ টাকা কেজি, বিআর ২৮ টাকা ৫৩ টাকা, মিনিকেট ৬ টাকা ও নাজিরশাইল চাল ৭৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

কৃষিবাজারের পাইকারি চাল বিক্রেতা থ্রি-স্টার রাইস এজেন্সির সোহাগ মিয়া বলেন, বাজারে সংকট ও দাম বেশি থাকায় মিল মালিকরা বেশি দামে চাল বিক্রি করছেন। মিল থেকে ৫০ কেজির এক বস্তা চাল বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে দেড়শ টাকা বেশি।

বাজারে শুধু চাল নয়, মসুর ডালের দামও বেড়েছে। কৃষি বাজারে মিহি দানার মসুর ডাল এখন বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়। প্রতি কেজি ১১০ টাকা। মোটা মসুর ডালের দাম কেজি প্রতি ৯০ টাকা। বাজারের সুমাইয়া জেনারেল স্টোরের মালিক সিফাত শাহরিয়ার বলেন, তিন দিন আগে বুধবার তিনি ৮৪ টাকা কেজি পাইকারি দরে মোটা দানার মসুর ডাল কিনেছিলেন। আজকে কিনলাম ৬ টাকা কেজি। কয়েক দিনে দাম বেড়েছে চার টাকা।

চাল-ডালের দাম বাড়লো বছরের শুরুতেই

সিফাত শাহরিয়ার বলেন, ‘আমাদের দোকানের ক্রেতারা নিয়মিত। এর মানে হল যে বেশিরভাগ ক্রেতা যারা মাসে একবার বাজার নেয় তারা এখন মাসিক বাজারের পরিমাণ কমিয়ে দিয়েছে। যারা আগে মাসে ১২ থেকে ১৫ হাজার টাকার বাজার নিতেন, এখন তারা নিচ্ছেন ৮-১০ হাজার টাকা। ‘

কারওয়ান বাজারে মাসিক বাজারের জন্য এসেছিলেন বেসরকারি সংস্থার কর্মকর্তা সোলায়মান খান। তিনি জানান, গত মাসে বাজারে গিয়ে মসুর ডালের দাম ছিল একশ টাকা। আর তা এখন বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকায়। বাজারে চাল ও অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দামও অনেক বেশি।

শুধু চাল-ডাল নয় ব্রয়লার মুরগির দামও বেড়েছে। তবে সোনালিকা মুরগির দামে কোনো পরিবর্তন নেই। শনিবার বিভিন্ন বাজারে ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৮০ থেকে ১৯০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এক সপ্তাহ আগে দাম ছিল ১৬৫-১৬০ টাকা। আর সোনালিকা মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২৬০-২৯০ টাকায়।

তবে পেঁয়াজ, আদা ও রসুনের দাম কমেছে। দেশি পেঁয়াজ (মুড়িকাটা) বিক্রি হয়েছে ৩৪ টাকা কেজি। এক পাল্লা (পাঁচ কেজি) কিনলে দাম ১৮০ টাকা। আর ভারতীয় পেঁয়াজের দাম এখন প্রতি কেজি ৪২ টাকা। গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছে ৪৪ টাকা কেজি।

এছাড়া চাইনিজ আদা বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১২০ টাকা থেকে ১২০ টাকা কম এবং চাইনিজ রসুন ১৪০ টাকা কম ২০ টাকায়। নতুন আলু বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা কেজি। আর পুরনো আলুর দাম এখন কেজিতে ১৬-১৭ টাকা। শীতের সবজির দামও কমেছে। বিভিন্ন ধরনের শীতকালীন সবজি বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ২৫-৩০ টাকায়।

Source: Prothomalo.com

About bdbarguna24

Check Also

মোটা চাল নাকি এখন কেবল গরুর খাদ্য, দাম বেড়েছে তো কী হয়েছে

Rate this post মোটা চাল নাকি এখন কেবল গরুর খাদ্য দাম বেড়েছে তো কী হয়েছে …

Leave a Reply Cancel reply