রোগী পছন্দ হলে যৌনতায় লিপ্ত হতেন মাদক নিরাময় কেন্দ্রের মালিক বাঁধন

রোগী পছন্দ হলে যৌনতায় লিপ্ত হতেন মাদক নিরাময় কেন্দ্রের মালিক বাঁধন

5/5 - (1 vote)

রোগী পছন্দ হলে যৌনতায় লিপ্ত হতেন মাদক নিরাময় কেন্দ্রের মালিক বাঁধন

মাদকাসক্তদের পুনর্বাসনের জন্য পুনর্বাসন কেন্দ্র খোলা হলেও সেখানে চলতে থাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন। চিকিৎসা কেন্দ্রের মালিক ফিরোজা নাজনীন বাঁধন চাইলে রোগীর সঙ্গে যৌন সম্পর্কও করতেন।
কেন্দ্রে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের কাছ থেকে হাতিয়ে নেওয়া হয় লাখ লাখ টাকা। কোনো রোগী অভিভাবকদের কাছে অভিযোগ জানালে নির্যাতনের মাত্রা বেড়ে যেত। র‌্যাব বলছে- কেন্দ্রের সব কর্মকর্তা-কর্মচারী মাদকাসক্ত!রোগী পছন্দ হলে যৌনতায় লিপ্ত হতেন মাদক নিরাময় কেন্দ্রের মালিক বাঁধন।

রোগী পছন্দ হলে যৌনতায় লিপ্ত হতেন মাদক নিরাময় কেন্দ্রের মালিক বাঁধন- সংগ্রহিত

মঙ্গলবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত গাজীপুর জেলা শহরের ভুরুলিয়া কালাসিকদার ঘাট এলাকায় ভাওয়াল মাদকাসক্ত পুনর্বাসন কেন্দ্রে র‌্যাব ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের অভিযানে এসব তথ্য জানা যায়।

এ ঘটনায় পুনর্বাসন কেন্দ্রের মালিক ফিরোজা নাজনীন বাঁধনসহ ৫ জনকে আটক করেছে র‌্যাব। এছাড়া ৪২০ ইয়াবা উদ্ধার ও কেন্দ্রটি সিলগালা করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।

র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন জানান, সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে ভাওয়াল মাদক পুনর্বাসন কেন্দ্রে অভিযান চালানো হয়। যেভাবে চিকিৎসা কেন্দ্র পরিচালনা করা হয় এবং রোগীদের সেবা দেওয়া হয় সেখানে দেওয়া হয়নি। কেন্দ্রের মালিক ফিরোজা নাজনীন বাঁধনের বিরুদ্ধে রোগীরা অভিযোগ করেছেন, কেন্দ্রে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের মানসিক, শারীরিক ও যৌন নির্যাতন করা হয়।

তিনি আরও জানান, এখানে শারীরিক নির্যাতনের পায়ের ছাপ পাওয়া গেছে। বিশেষ করে রোগীদের মারধর ও শারীরিক নির্যাতনের প্রমাণ হিসেবে দড়ি উদ্ধার করা হয়েছে। বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের প্রমাণ পাওয়া গেছে। এখানে নিরাময় কেন্দ্র পরিচালনার অধিকাংশ নিয়ম-কানুন মানা হয়নি। নিম্নমানের খাবার সরবরাহ করে ভর্তি হওয়া রোগীদের জন্য কেন্দ্রে কোনো চিকিৎসক নেই। কেন্দ্রে রোগীর চেয়ে রোগীর সংখ্যাই বেশি ছিল।

২০০৯ সালে অনুমতি ছাড়াই কেন্দ্র চালু হলেও পরে অনুমোদন নেওয়া হয়। পরে মালিক ফিরোজা নাজনীন বাঁধন কোনো নিয়ম-নীতি না মেনে কেন্দ্রটি পরিচালনা শুরু করেন। এ কেন্দ্রে চিকিৎসার নামে রোগীদের জোর করে আটকে রাখা হয়। এমন রোগীও আছেন যারা এখানে ৩ বছর ধরে আছেন। রোগীরা কোনো ধরনের অনিয়মের প্রতিবাদ করলে মালিকের নিয়োজিত কর্মচারীরা তাদের ওপর নির্যাতন চালান। এমন ৫-৬ জন রোগী ছিল যাদের শারীরিক নির্যাতনের প্রমাণ ছিল।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক রোগী জানান, কেন্দ্রে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীকে কেন্দ্রের মালিক ফিরোজা নাজনীন বাঁধন পছন্দ করলে তার সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করতেন।

একজন রোগীর মা বলেছেন যে তার ১৮ বছর বয়সী ছেলে ছয় মাস ধরে কেন্দ্রে ছিল। এ জন্য তার কাছ থেকে দেড় লাখ টাকা নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার বিকেলে কেন্দ্রের ২৬ জন রোগীকে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

About bdbarguna24

Check Also

গ্রেপ্তার মিন্নির পাঁচ(৫)দিনের রিমান্ড…

Rate this post “পাপ বাপ কেও ছারেনা”প্রবাদ টা পুরানো হলেও এর মর্ম হারে হারে টের …

2 comments

  1. Pingback: রক্তদানের সুফল ও কুফল - BD BARGUNA 24-2022

  2. Pingback: হাঁস পালনে বাংলাদেশের সম্ভাবনা ও প্রেক্ষাপট - BD BARGUNA 24

Leave a Reply Cancel reply