কেন হয় ব্রণ? এর থেকে পরিত্রাণের উপায়
কেন হয় ব্রণ? এর থেকে পরিত্রাণের উপায়

কেন হয় ব্রণ? এর থেকে পরিত্রাণের উপায়

Rate this post

কেন হয় ব্রণ? এর থেকে পরিত্রাণের উপায়

 

আমাদের ত্বকে একটি সাধারণ সমস্যা হল ব্রণ। এটি সাধারণ সমস্যা হলেও , অত্যন্ত বিরক্তিকর এবং দৃষ্টিকটু। ব্রণ হওয়ার বিভিন্ন কারণ রয়েছে। আজকে আমরা জেনে নিই কেন হয় ব্রণ? এর থেকে পরিত্রাণের উপায়

 

ব্রণ মূলত হয় মুখে ময়লা জমার কারণে। ছেলে বা মেয়ে উভয়েরই ব্রণ হয়ে থাকে। একটি নির্দিষ্ট বয়সে সাধারণত এই সমস্যার শুরু হয়। ছেলেমেয়েদের বয়সন্ধিকালে ব্রণ হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে। কারণ এ সময়ে মুখে তেল গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয় তেল।

ময়লা সাধারণত তৈলাক্ত পদার্থ কে আকর্ষণ করে।

পলি দৈনন্দিন কাজকর্ম করার সময় ধুলোবালি ত্বকে এসে আটকে যায়। দীর্ঘ সময় ত্বকের ময়লা আটকে থাকার কারণে ব্রণ হয়।

 

এছাড়া অতিরিক্ত রাত জাগলে ব্রণ হওয়ার আশঙ্কা থাকে।রাত জাগলে আমাদের ত্বকের কোষগুলো পর্যাপ্ত বিশ্রাম পায় না। ফলে ত্বকের কোষগুলো বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে শুরু করে। এবং এর ফলস্বরূপ ব্রণ দেখা যায়।ব্রণ হওয়ার আরও একটি কারণ হলো কোষ্ঠকাঠিন্য। আমরা অনেকেই জানিনা সুষ্ঠু বিপাক প্রক্রিয়ার সাথে আমাদের ত্বকের সুস্থতায় সম্পর্কিত। যাদের অতিরিক্ত কোষ্ঠকাঠিন্য হয় বিপাক ক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পাদিত হয় না তাদের ত্বকে ব্রণ সহ নানা রকম সমস্যা দেখা যায়।

 

এছাড়া অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা এবং পড়াশুনার চাপ বেশি হলে ব্রণ হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এটি মূলত দুশ্চিন্তার কারণে ঘুমের অভাবে হয়।

 

ব্রণ হল একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হল পানি কম খাওয়া। পানি আমাদের ত্বকের কোষগুলোকে সুস্থ রাখে।পানি কম খেলে ত্বকের কোষগুলো পর্যাপ্ত পুষ্টি পায় না। ফলে একটি কোষ পাশের কোষ গুলো থেকে পানি শোষণ করে নিতে হয় ফলে সৃষ্টি হয় ব্রণ। এবং পাশের কোষটি পানির অভাবে মারা যায়।

 

এখন আমরা জানবো ব্রন থেকে কিভাবে দূরে থাকা যায়।

কেন হয় ব্রণ? এর থেকে পরিত্রাণের উপায়

ব্রণ থেকে বেঁচে থাকার প্রধান উপায় হলো প্রচুর পরিমাণে পানি পান করা। আমাদের ত্বককে সুস্থ রাখতে পানি অপরিহার্য। একজন সুস্থ মানুষের প্রতিদিন 6 থেকে 7 লিটার পানি পান করা উচিত। পানি পান করলে ত্বকের কোষগুলো সুস্থ ও সজীব থাকে।ফলে ব্রণ এবং অন্যান্য ত্বকের সমস্যায় আক্রমণ করতে পারে না।

 

ব্রণ থেকে বাঁচার আরও একটি ভালো উপায় হলো পর্যাপ্ত ঘুম। পর্যাপ্ত ঘুমের অভাবে আমাদের ব্রণ হয়।নিয়মিত পর্যাপ্ত ঘুম হলে ত্বকের কোষগুলো পরিমিত বিশ্রাম এর সুযোগ পায়। ফলে ব্রণ এবং মেস্তা সহ সব রকমের সমস্যা দূরে থাকে।

 

কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ এর মাধ্যমে ব্রণ থেকে দূরে থাকা যায়। কোনভাবেই কোষ্ঠকাঠিন্য হতে দেয়া যাবে না। প্রচুর পরিমাণে শাকসবজি খেতে হবে। শাকসবজি ঠিকমতো খেলে এবং প্রচুর পরিমাণে পানি পান করলে কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা হয় না। ফলে ব্রণ আক্রমণ করতে পারে না।

 

পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকার মাধ্যমে ব্রণ থেকে বাচা যায়। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকলে আমাদের মুখে কোন ময়লা বা ধূলিকণা আটকে থাকে না। ফলে চামড়া তৈলাক্ত হলেও তাতে কোন ময়লা জমতে পারে না।আর ময়লা না জমলে ব্রণ বা এলার্জি জাতীয় সমস্যা হয় না। প্রতিদিন নিয়মিত ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিতে হবে। ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধোয়া ত্বকের উজ্জলতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে এবং সেইসাথে ব্রণ হয় না।

 

অর্থাৎ প্রতিদিন নিয়মিত ত্বকের যত্ন নেয়া এবং নিয়ম মাফিক জীবন যাপন করার মাধ্যমে ব্রন থেকে রেহাই পাওয়া যায়। পর্যাপ্ত ঘুম এবং দুশ্চিন্তামুক্ত জীবন যাপন করার অভ্যাস করতে হবে। সব সময় হাসি খুশি এবং প্রাণবন্ত থাকতে হবে। নিজের শরীরের যত্ন নিতে হবে এবং

কেন হয় ব্রণ? এর থেকে পরিত্রাণের উপায়

পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। বয়সন্ধিকালে ত্বকের বিশেষ যত্ন নিতে হবে। এছাড়া নিমপাতার ব্যবহার করা যেতে পারে। কারণ নিমপাতা ছত্রাক জনিত সমস্যা সমাধান করে ত্বককে সুস্থ রাখে। তবে সবচেয়ে ভাল পদ্ধতি হলো নিয়মমাফিক ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন জীবনযাপন করা। এভাবে ব্রণ থেকে রেহাই পাওয়া যায়।

About bdbarguna24

Check Also

ওমেগা আমাদের শরীরে কি ধরনের উপকার করে & কি কি খাবারে ওমেগা আছে

Rate this post ওমেগা আমাদের শরীরে কি ধরনের উপকার করে মানব দেহে খাদ্য বিপাক এবং …

Leave a Reply Cancel reply