Jony cins, জনি সিন্স
jony sins

জনি সিন্স এর জীবন কাহিনীর জানা অজানা…

Rate this post

জনি সিন্স এর জীবন কাহিনী ‘র জানা অজানা…

জনি সিন্স এর জীবনীঃ স্টিভ ওলফ হচ্ছে জনি সিন্সের আসল নাম। জনি সিন্স এর এই নামের সাথে হয়তো অনেকেই পরিচিত আবার অনেকে জানেন না। জনি সিন্সের জন্ম আমেরিকার পিটসবারগের পূর্ব উপকূলে ৩১ ডিসেম্বর ১৯৭৮ সালে। নীল পর্দায় কাজ করার পর তিনি জনি সিন্স হিসেবে সারা বিশ্বে পরিচিতি লাভ করেছেন। এখন পর্যন্ত জনি সিন্স ৬০০ টিরও বেশি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন।

jony sins,

নীল পর্দায় তিনি বেশ ভালমানের অভিনেতা। তিনি তার এই অভিনয়ের প্রাপ্য স্বীকৃতিও পয়েছেন বিভিন্ন ধরনের পুরস্কার জিতে।
জনি সিন্স ২০১৫ সালে এভিএন পুরস্কার জিতেন ভালো অভিনয়ের জন্য। তিনি সারা বিশ্বের কাছে অভিনয় করে বেশি জনপ্রিয় হয়েছেন ব্রাজারস কম্পানিতে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার পর।

জনি সিন্স নীল জগতে পা রাখেন ২০০৬ সালে। জনি সিন্স অনেক গরীব ছিলেন। টাকা পয়সার অনেক অভাব ছিল। তার এক বন্ধু ছিল জর্জ।
জর্জের খুব ভালো মানের লিংক ছিল লস এঞ্জেলেসের বিভিন্ন নীল জগতের ইন্ডাস্ট্রিগুলোর সাথে। সেই জর্জ তাকে পরামর্শ দেন যে, লস এঞ্জেলেসে গিয়ে নীল জগতের ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করার জন্য

আপনি যা জানেন না জনি সিন্স সম্পর্কে
প্রসঙ্গত জর্জ ছিল জনি সিন্সের বয়ফ্রেন্ড বা সহজ ভাষায় বলতে গেলে তারা ছিল গে। তাই জনির গোপন জিনিসের সাইজ জর্জের ভালোই জানা ছিল।
তাই জনি সিন্সের এই বন্ধু জর্জ তাকে নীল জগতে অভিনয় করতে বলেন এবং তিনি এটাও বলেন যে, তুমি ওখানে অভিনয় করলে খুব দ্রুতই মার্কেট পেয়ে যাবে।
তোমার টাকাপয়সার আর কোন সমস্যাই থাকবে না।

সেই বন্ধুর প্রস্তাবে রাজি হয়ে জনি সিন্স পা রাখেন নীল পর্দায়। জনি সিন্স অভিনিত প্রথম চলচ্চিত্র যখন পাবলিশ হয় তখন জনি সিন্সের বয়স ছিল মাত্র ২১ বছর।
তবে জনি সিন্স প্রথম সেই বন্ধুর প্রস্তাবে রাজি হন নাই। কারন তখন তিনি একটি নির্মার কম্পানির সাথে চুক্তিবন্ধ ছিলেন।
পরে চুক্তি শেষ হলে জনি সিন্স তার বন্ধুর কথামত লস এঞ্জেলেসে যান এবং নীল জগতে অভিনয় শুরু করেন।

জনি সিন্স এর জীবন কাহিনী ও ব্যক্তিগত কিছু অজানা তথ্য
২১ বছরে তিনি প্রথম যেই কম্পানির সাথে যুক্ত হয়েছিলেন সেটির নাম হচ্ছে পর্ণহাব। সেই কম্পানি তাদের চলচ্চিত্রের শুটিং করার জন্য জনি সিন্সকে মহাকাশে নিয়ে যায় অভিনয় করার জন্য।
অর্থাৎ জনি সিন্স মহাকাশে গিয়ে তার জিবনের প্রথম নীল জগতের মুভিতে অভিনয়ের সুযোগ পান। এখন পর্যন্ত কোন নীল জগতের স্টার এমন সুযোগ পান নাই।
মহাকাশের সেই শুটিংয়ে জনি সিন্সের বিপরীতে অভিনয় করে “ইভা লোভিয়া” মানে এক নারী।

এই ফিল্ম তৈরি করতে কম্পানিটির প্রায় ৫৩ লক্ষ মার্কিন ডলার খরচ হয়েছিল। সেই চলচ্চিত্রটির নাম ছিল “চিয়ার লিডার”। প্রোডাকশন হাউজ ছিল ডিজিটাল প্লেগ্রাউন্ড।
ফিল্মটি পাবলিশ হয়েছিল ২০০৮ সালে। এখন পর্যন্ত সেই চলচ্চিত্রটিই সবচেয়ে বেশি ব্যাবসায় সফল নীল ছবি

এই ছবিতে অভিনয়ের পর জনি সিন্সকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয় নি। সেই ছবিটির জন্য তিনি এখন পর্যন্ত পুরস্কার পেয়ে যাচ্ছেন।
২০০৮ সালেই তিনি এভিএন এর ৯ টি পুরস্কারের মধ্যে ৫টি পুরস্কারই জনি সিন্স জিতে নেন। পর্ণহাবের সাথে তিনি প্রায় ৪ বছর যুক্ত ছিলেন।



জনি সিন্স পর্ণহাব ছেড়ে দেওয়ার পর ব্রাজারস নামে একটি কম্পানির সাথে চুক্তিবন্ধ হন। ব্রাজারস ছিল কানাডিয়ান একটি কম্পানি।
জনি সিন্স এক ইন্টারভিউতে বলেছিলেন, আমার জিবনের সেরা কাজ আমি করেছি পর্ণহাব কম্পানিতে কিন্তু আমাকে বেশি ক্ষ্যাতি দিয়েছে ব্রাজারস কম্পানি

জনি সিন্স এখন সিক্রেট এদ্মিরাতে অভিনয় করছেন। আর এই জন্য তিনি ২০১৯ সালে এডমিরাতে সেরা অভিনয়ের জন্য মনোনীতও হন।

READ MORE

HOT (VIDEO)

About bdbarguna24

Leave a Reply Cancel reply