শিশুর সুস্থও সুন্দর দেহ গরমে ভালো রাখার জন্য যত্ন নিবেন যেভাবে
শিশুর সুস্থও সুন্দর দেহ গরমে ভালো রাখার জন্য যত্ন নিবেন যেভাবে

শিশুর সুস্থও সুন্দর দেহ গরমে ভালো রাখার জন্য যত্ন নিবেন যেভাবে ….

Rate this post

এই গরমে শিশুর যত্ন নিবেন যেভাবে

গরম আমাদের দেশের একটি ভৌগলিক সমস্যা। গরমে বড়দের থেকে শিশুরা বেশি কষ্ট পায় কেননা অনেক সময় শিশুরা তাদের সমস্যার কথা বলতে পারে না। ফলে গরমে শিশুদের নানা সমস্যা হয়ে পরে। এ সময় একটু বাড়তি নজর রাখাটা জরুরী এবং গরমে নবজাতকের কাপর ও শিশুকে পরিষ্কার পরচ্ছন্ন রাখা উচিৎ।
bdbarguna24.com
শিশুরা খুব স্পর্শকাতর হয় বলে গরমে শিশুদের ত্কের প্রতি বাড়তি খেয়াল রাখতে হবে। অনেক অভিভাবকই শিশুদের ভালো রাখার জন্য প্রচুর পরিমানে পাউডার বা তেল শিশুদের ব্যাবহার করিয়ে থাকেন যা শিশুদের HEALTH এর জন্য ক্ষতিকর। অতিরিক্ত পাউডার ব্যাবহারে শিশুদের লোমের রোমকুপ বন্ধ হয়ে যায় বলে সাবাবিক শারীরিক প্রকৃয়া বাদাগ্রস্থ হয় এতে শিশুদের ঘামাচি ও ন্যাপি হয়ে পরে। এবং অতিরিক্ত রোদে শিশুদের নিয়ে বেড় হওয়া উচিৎ না।
শিশুদের সামনে হাচি ও কাশি থেকে বিরতো থাকতে হবে .না হলে জীবনু শিশুদের অতী সহজে আক্রামন করতে পারে। এবং খেয়াল রাখতে হবে শিশুদের সব সময় ঠান্ডা ও সস্তিদায়ক পরিবেশে রাখতে হবে। এবং ঘেমে গেলে শুকনো নরম কাপর দিয়ে মুছে দিতে হবে।বিভিন্ন বয়স ভেদে বাচ্চাদের খাবার দিতে হবে এসময়। বাচ্চার বয়স ৬ মাস পর্যন্ত তাঁকে শুধুমাত্র বুকের দুধ খাওয়ান। বাচ্চাকে এই সময় বুকের দুধ ছাড়া পানি খাওয়ানোর-ও দরকার নেই। গরমে বাচ্চাকে একটু পরপর বুকের দুধ খাওয়ান যাতে সে পানিশূন্যতায় না ভোগে। ৬ মাসের পর তাঁকে বুকের দুধের পাশাপাশি অন্যান্য পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়াতে হবে।
এসময় পানিশূন্যতা দূর করতে আপনার ছোট সোনামনিকে স্যালাইন পানি, ডাবের পানি, লাচ্ছি, শরবত, ফলের রস দিন। যে পাত্রে আপনার বাবুটি খাওয়াচ্ছেন তা যেন অব্যশই পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্ত হয়। তাদের কখনই বাসি ও পচাঁ খাবার দিবেন না। বাইরের খাবার সম্পূর্ণভাবে এড়িয়ে চলুন। প্রয়োজনে তাঁকে ঘরেই তৈরি করে দিন বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপযোগী খাবার। তাঁকে অতিরিক্ত গরম বা ঠান্ডা খাবার দিবেন না। এসময় প্রচুর পরিমাণে পরিষ্কার ও ফুটানো পানি পান করতে দিন। 
অবশ্যই এই গরমে শিশুদের সুতির নরম ও আরামদায়ক কাপর পড়াতে হবে। সর্বপরী শিশুর গরমে শিশুর কোনো সমস্যা দেখা দিলে কখনো আবহলা করবেন না। কারন শিশুদের খুব ছোটো রোগে অল্পতেই মারক্তক আকার ধারন করে। যেমন কাপর ও অপরিছন্নতার কারনে খুঁজলি পেচরা হয় এবং তা থেকে শিশুর কিডনি নষ্ট হতে পারে যার ফলে শিশুর মৃত্যু হতে পারে। এবং মনে রাখবেন বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোন থেকে শিশু কালো হোক কি ফর্শা এটি কোনো বিবেচ্য বিষয় না। শিশুর সুস্থও সুন্দর দেহ গরমে ভালো রাখার জন্য শিশুর যত্ন নেবার কোন বিকল্প নেই

 

About bdbarguna24

Check Also

গর্ভাবস্থায় কী কী খাবার খেলে আপনি ও আপনার সন্তান সুস্থ থাকবে

Rate this post গর্ভাবস্থায় কী কী খাবার খেলে আপনি ও আপনার সন্তান সুস্থ থাকবে গর্ভাবস্থায় …

Leave a Reply Cancel reply